মার্কিন সেনা অবস্থানে ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

প্রকাশিত: ১১:৩৫ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ১৩, ২০২০

মার্কিন সেনা অবস্থানে ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

সিলেট প্রেস ডেস্ক :-ইরাকের রাজধানী বাগদাদের উত্তরাঞ্চলে মার্কিন সেনারা অবস্থান করছে এমন একটি সামরিক ঘাঁটিতে ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে।

এতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সেনা হতাহত না হলেও তাৎক্ষণিকভাবে চার ইরাকি সৈন্য আহত হয়েছেন বলে জানা যায়।

কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম ‘আল-জাজিরা জানায়, রবিবার (১২ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে হামলার শিকার ইরাকের সেনা ঘাঁটিটির নাম ‘বালাদ’। এটি রাজধানী বাগদাদ থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। এবার সেখানে কমপক্ষে ছয়টি শক্তিশালী রকেট দিয়ে হামলাটি চালানো হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ড্রোন দিয়ে বাগদাদে অবস্থানরত ইরানি জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার পর ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় তেহরান। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র মধ্যকার উত্তেজনার মধ্যেই ফের এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলাটি ঘটল। যদিও ভয়াবহ এই আক্রমণের দায় এখন পর্যন্ত কেউ বা কোনো সংগঠন স্বীকার করেনি।

ইরাকি পুলিশের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, রবিবার রাতে কয়েকটি শেল বালাদ বিমান ঘাঁটির রানওয়েতে পড়েছে। তাছাড়া গেটের কাছেও একটি রকেট বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পেয়েছি। সেখানে ইরাকি সেনারা দায়িত্ব পালন করছিলেন, হামলায় কেবল তারাই জখম হয়েছেন।

এর আগে শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) ভোরে ইরাকের বাগদাদ শহরের বিমানবন্দরে মার্কিন বিমান হামলায় ইরানি জেনারেল কাসেম সোলাইমানি নিহত হন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে চালানো সেই অভিযানে তেহরান সমর্থিত পপুলার মবিলাইজেশন ফোর্সেসের (পিএমএফ) উপপ্রধান আবু মাহদি আল-মুহান্দিসসহ বাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্য প্রাণ হারান।

সোলাইমানি নিহত হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সর্বোচ্চ উত্তেজনা বিরাজ করছে। কয়েকদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা হামলার হুমকি দিয়ে আসছিল ইরান। অবশেষে বুধবার (৮ জানুয়ারি) ভোর রাতে ইরাকের দুটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালায় তেহরান।

এরপর ধারণা করা হচ্ছিল, ইরানের বিরুদ্ধে কঠিন কোনো পদক্ষেপই হয়তো নেবেন ট্রাম্প। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানকে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন।

আরওপড়ুন:-শৈত্যপ্রবাহ কাঁপাবে আরও দুদিন

সিলেটপ্রেসডটকম / ১৩ই জানুয়ারি / সৈয়দ সাইফুল ইসলাম নাহেদ

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Send this to a friend