আওয়ামীলীগের সম্মেলন উপলক্ষে নগরীজুড়ে আলোক সজ্জা

প্রকাশিত: ৭:৫১ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৩, ২০১৯

আওয়ামীলীগের সম্মেলন উপলক্ষে নগরীজুড়ে আলোক সজ্জা

রেজওয়ান আহমদ :: সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষে নগরীজুড়ে করা হচ্ছে আলোক সজ্জা । নতুন রূপে সেজেছে নগরী। নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে উৎসবের আমেজ। বিভিন্ন জেলা থেকে নগরীতে আসা মানুষরা হঠাৎ করে নগরীর সাজ সজ্জা দেখে চমকে উঠছেন। সম্মেলন সফল করতে নেতাকর্মীদের নেই ঘুম। তারা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চালিয়ে যাচ্ছে প্রচারনা। অন্যদিকে পুরো নগরীকে নতুন রূপে সাজিয়ে দিচ্ছেন নেতাদের পোস্টার ব্যানার, ফেস্টুন, তোরন ও বিলবোর্ড দিয়ে। আবার অনেক জায়গায় সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য করা হয়েছে লাইটিং। নেতাকর্মীদের প্রচার-প্রচারনায় পুরো নগরীতে দেখা দিয়েছে উৎসব মুখোর পরিবেশ। ইতিমধ্যে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে সম্মেলনের জন্য তৈরী করা হচ্ছে নৌকা আকৃতি দিয়ে ষ্টেইজ। যেখানে কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থেকে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি ঘোষণা করবেন। প্রতিদিন সম্মেলনের স্থান পরিদর্শন করছেন মন্ত্রী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতারা। দীর্ঘদিন পর সম্মেলন হওয়ায় কর্মীদের মাঝে দেখা দিয়েছে প্রাণচাঞ্চল্য। তাদের উৎসবের যেনো শেষ নেই। নেতাদের চেয়ে কর্মীরাই বেশি চালিয়ে যাচ্ছেন প্রচারনা। নিজেদের টাকা খরচ করে নেতাদের ছবি দিয়ে পোস্টার ব্যানার, ফেস্টুন, তোড়ন ও বিলবোর্ড দিয়ে নগরীকে সাজিয়ে তুলেছেন নতুন রূপে। এ যেন নির্বাচনী আমেজ দেখা দিয়েছে।
আগামী ৫ তারিখের সম্মেলনের দিকে তাকিয়ে আছেন তাঁরা। কেন্দ্রীয় নেতারা কার হাতে তুলে দিবেন দায়িত্ব। আগামীর পথ চলা কাদের দিয়ে শুরু করবেন নেতারা সেই হিসেব করছেন কর্মীরা। তাদের দাবি নতুন বা পুরাতন হউক এমন নেতার হাতে কেন্দ্রীয় নেতারা দায়িত্ব তুলে দিবেন যারা কর্মীদের মূল্যায়ন করবেন দলের জন্য কাজ করবেন, যাদের দ্বারা দলের সুনাম বৃদ্ধি পাবে এম নেতাকে চান কর্মীরা। নেতারা ও বসে নেই প্রতিদিন আলোচনা সভা করে যাচ্ছেন সম্মেলন সফল করার জন্য। নেতারাও চান এমন নেতার হাতে দলের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হউক যারা সকল নেতাকর্মীদের নিয়ে সুন্দরভাবে দলের জন্য কাজ করে যেতে পারবেন। তাই তাঁরা কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে যোগাযোগ করে যাচ্ছেন যাতে করে একদলীয় কারো কাছে দায়িত্ব না দেওয়া হয়। যারা দলের মধ্যে কোন্দল তৈরি করে।

উল্লেখ্য ২০০৫ সালে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়। এরপর ২০১১ সালে সম্মেলন ছাড়াই সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০১৪ সালে এই কমিটির মেয়াদ শেষ হয়। তারপর দীর্ঘ ৬ বছর মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটি দিয়েই চালিয়ে আসছিলেন সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যক্রম। এ নিয়ে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে তৈরি হয় কোন্দল। যার কারনে দলের কার্যক্রমে দেখা দেয় অচলাবস্থা। নেতাদের মধ্যে তৈরি হয় চাপা ক্ষোভ। যার ফলে দলের যেকোনো কার্যক্রমে একসাথে না থেকে আলাদা ভাবে করে আসছিলেন তাঁরা। কেন্দ্রীয় নেতারা এই অচলাবস্থা দূর করার জন্য সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের নতুন কমিটি করে দেওয়ার লক্ষে তারিখ ঘোষণা করেন। নতুন করে নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দেয় উৎসবের আমেজ।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Send this to a friend