সিলেটে সৎমেয়ের শ্লীলতাহানির ঘটনায় পিতা আটক

 
 

1111বিয়ানীবাজার সংবাদদাতা :: সিলেটের বিয়ানীবাজারে বসবাসরত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এক পিতার বিরুদ্ধে কন্যার শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ পেয়ে ১৮ নভেম্বর শনিবার বিয়ানীবাজার থানাপুলিশ তাকে আটক করে। তাকে আটকের পূর্বে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে কলোনির বাসিন্দারা তাকে গণধোলাই দেন। এ ঘটনায় মেয়েটি মা বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

জানা যায়, আব্দুল কাদির (৫০) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানার মৃত সামসুল মিয়ার পুত্র। তিনি দ্বিতীয় স্ত্রী ও স্ত্রীর আগের স্বামীর ঘরের এক কন্যাকে নিয়ে বিয়ানীবাজার পৌরসভার দাসগ্রামের রাজ্জাক মঞ্জিলে ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। তিনি পৌরশহরে রিকশা চালিয়ে জীবিকানির্বাহ করতেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

থানার দায়ের করা এজাহার সূত্রে জানা যায়, কাদিরের স্ত্রী হেলেনা বেগমের পূর্বে অন্য জায়গায় বিয়ে হয়। সে স্বামীর ঘরে তার দুই কন্যাসন্তান রয়েছে। এক কন্যার বিয়ে দিলেও কিশোরী অপর কন্যা তার সাথে রয়েছে। কাদিরের সাথে তার দ্বিতীয় বিয়ে হওয়ার পরও ওই কন্যাকে সাথে রাখেন হেলেনা। দাসগ্রামের রাজ্জাক মঞ্জিলে দ্বিতীয় স্ত্রী ও সৎকন্যাকে নিয়ে কাদির বসবাস শুরু করেন। হেলেনা বেগম বিয়ানীবাজারের এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। মেয়ে ও স্বামীকে বাসায় রেখে প্রতিদিনের মতো গতকাল শনিবার সকালে কাজের জায়গায় চলে যান। বাসায় ফাঁকা থাকার সুযোগ নিয়ে কাদির সৎকন্যার শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা করেন। এ সময় মেয়েটি (১৬) চিৎকার করলে আশাপাশের লোকজন ছুটে এসে কাদিরকে হাতেনাতে আটক করে গণধোলাই দেন।
খবর পেয়ে ছুটে যান হেলেনা বেগম। মেয়ের মুখে সব কথা শুনে তিনি থানা পুলিশের ধারস্থ হন। পুলিশ দাসগ্রাম থেকে পিতা কাদিরকে আটক করেন। শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় হেলেনা বেগম বাদি হয়ে স্বামী আব্দুল কাদিরের বিরুদ্ধে থানায় শিশু ও নারী নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন। এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিয়ানীবাজার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফরিদ উদ্দিন।