শাবিতে নিজ কর্মস্থলে ফিরলেন  অধ্যাপক জাফর ইকবাল

 
 

4545শাবি প্রতিনিধি :: চিকিৎসা পরবর্তী দীর্ঘদিন ছুটি শেষে ২ এপ্রিল (সোমবার) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরেছেন জনপ্রিয় লেখক ও কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল।

সোমবার দুপুর ১২টায় অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল সড়ক পথে গাড়ি যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের এম.ওয়াজেদ মিয়া আই.আই.সি.টি পৌছান। এসময় তার সাথে ছিলেন অধ্যাপক জাফর ইকবালের স্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড.ইয়াসমিন হক।

ক্যাম্পাসে নিজ বিভাগে সোয়া ১২টায় জয়েন করেন বলে নিশ্চিত করেন তার ব্যক্তিগত সহকারী জয়নাল আবেদিন।

এছাড়াও দুপুর ১টায় শিক্ষকদের সাথে শিক্ষার্থীদের মাস্টার্সে ভর্তি বিষয়ক একটি মিটিং এ যোগদান করেন এবং দুপুর ২টায় কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে একটি ক্লাস নেওয়ার কথা আছে।

তিনি আরও বলেন,  স্যার এখন পুরোপুরি সুস্থ্য, অতএব ক্লাস নেওয়ার ক্ষেত্রে স্যার এর এখন কোনো বাধা নেই।

এর আগে গত ১৪ এপ্রিল দীর্ঘ ১১ দিন চিকিৎসা শেষে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবি) ক্যাম্পাসে ফিরে অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেছিলেন, ‘আমি কখনও ভয় পাই না। এখনও পাচ্ছি না। মুক্তমঞ্চে দাঁড়িয়ে আমি আবারও কথা বলবো।  সে প্রেক্ষিতে হামলার স্থান শাবির মুক্তমঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে কথা বলেছিলেন।

এদিকে অধ্যাপক জাফর ইকবালের বিশ্ববিদ্যালয়ে আসায় আগের চেয়েও বাড়তি নিরাপত্তা জোড়দার করা হয়েছে।  জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শফিকুল ইসলাম এর সাথে আলাপকালে  তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তায় পুলিশ সার্বক্ষণিক রয়েছে।  অধ্যাপক জাফর ইকবালের নিরাপত্তায় পুলিশ সতর্ক রয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, গত ৩ মার্চ বিকাল ৫টায় ৪০মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি অনুষ্ঠান চলাকালে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালায় ফয়জুল হাসান নামে এক তরুণ। হামলার পর ড. জাফর ইকবালকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।  সেখানে অস্ত্রোপচার শেষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই তাকে এয়ার-অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার সিএমএইচে স্থানান্তর করা হয়।  পরবর্তীতে ১৪ মার্চ হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে সরাসরি শাবিতে আসেন।  এর পরেই চিকিৎসকদের পরামর্শমতে অধ্যাপক জাফর ইকবাল দীর্ঘদিন বিশ্রামে ছিলেন।