রোহিঙ্গা মুসলিম হত্যা বন্ধের দাবীতে লক্ষীপাশায় আল ইসলাহ ও তালামিযের মানববন্ধন

 
 

Lokhipasah News

বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ ও তালামিযে ইসলামিয়া লক্ষীপাশা ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের সেনাবাহিনী কর্তৃক গণহত্যার প্রতিবাদে ও গণহত্যা বন্ধের দাবীতে এক মানববন্ধন গত ১৩ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকেলে গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষীপাশা বাসস্ট্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয়।

লক্ষীপাশা ইউনিয়ন আল ইসলাহ’র সভাপতি কাজী মাওলানা আবুল কালাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক হাফিজ মাওলানা শামীম আহমদ ও তালামিয নেতা হাফিজ জাহিদুর রহমানের যৌথ পরিচালনায় মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ’র কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যক্ষ মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। প্রধান বক্তারা বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোঃ ইমাদ উদ্দিন নাসিরী।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন গোলাপগঞ্জ উপজেলা আল ইসলাহ সভাপতি মাওলানা আব্দুর রউফ, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুর রশিদ, সিলেট মহানগর আল ইসলাহর অফিস সম্পাদক হাফিজ সাদ উদ্দিন, গোলাপগঞ্জ উত্তর তালামীযের সভাপতি ফয়জুল ইসলাম, গণদাবী নেতা ডাঃ হাবিবুর রহমান, গোলাপগঞ্জ উপজেলা তালামীযের সাবেক সভাপতি হাফিজ আব্দুল হাসিব লিটন, রাখালগঞ্জ ফাযিল মাদরাসার আরবী প্রভাষক মাওলানা কামরুল ইসলাম, লক্ষীপাশা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দীন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন তালামীযের সভাপতি হাফিজ কারী শামসুল হক লিমন।

বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন আল ইসলাহ নেতা আব্দুর রহিম চৌধুরী রিপন, মাওলানা শাহিদুল হক, মাওলানা নোমান আহমদ, মাওলানা ছয়ফুল আলম, হাফিজ বদরুল ইসলাম, হাফিজ বাহারুল ইসলাম, হাফিজ আমিরুল ইসলাম, হাফিজ সুলাইমান আহমদ, সমাজসেবী আব্দুস সামাদ, ইঞ্জিনিয়ার জামাল আহমদ প্রমুখ। এছাড়াও এলাকার বিভিন্ন মসজিদ থেকে মিছিল সহকারে অসংখ্য মুসল্লিগণ মানববন্ধনের অংশ গ্রহণ করেন। শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কারী নাঈম আহমদ। শেষে দোয়া পরিচালনা করেন কাজী মাওলানা আবুল কালাম চৌধুরী।

মানববন্ধনে বক্তারা রোহিঙ্গা  শিশু, নারী-পুরুষদের মিয়ানমারের সেনাবাহিনী কর্তৃক গণহত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, রাখাইনে মুসলিম গণহত্যা সভ্য জগতের কোন মানুষ মেনে নিতে পারে না। অনতিবিলম্বে মুসলিম গণহত্যা বন্ধ করুন, করতে হবে। এই হত্যাযজ্ঞ বন্ধ না হলে আল ইসলাম, তালামিয, মুসলিম তৌহিদী জনতা, যুব সমাজ ঐক্যবদ্ধ হয়ে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে। বক্তারা জাতিসংঘ, ওআইসি ও ইউরোপিয় ইউনিয়নকে মিয়ানমারের এই সাম্প্রদায়িক ও জাতিগত নিপীড়ন বন্ধের জন্য জোড়ালো ভূমিকা রাখার আহবান জানান। বিজ্ঞপ্তি