মহাকাশে বাংলাদেশ!

 
 

213123সিলেটপ্রেস ডেস্ক: মাহাকাশে পাড়ি জমালো দেশের প্রথম ন্যানো স্যাটেলাইট ‘ব্র্যাক অন্বেষা’। ব্র্যাক অন্বেষার অন্যতম রূপকার গবেষক ড. মো. খলিলুর রহমান খান একে বলছেন, ‘মহাকাশে বাংলাদেশ…।’

রবিবার (৪ জুন) বাংলাদেশ সময় মধ্যরাত সাড়ে ৩টার দিকে মহাকাশযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স আর মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সিআরএস-১১ অভিযানে স্পেসএক্স-এর ফ্যালকন ৯ রকেটে করে এই ন্যানো স্যাটেলাইট পাঠানো হয়েছে।

জাপান থেকে স্যাটেলাইটটির নির্মাতা ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী রায়হানা শামস ইসলাম অন্তরা, আবদুল্লা হিল কাফি ও মাইসুন ইবনে মানোয়ার সরাসরি উৎক্ষেপণ দেখছিলেন। তারপর তারা একটি ভিডিও বার্তায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে সবার কাছে দোয়া চান।

সেই ভিডিওতে তারা জানান, এটি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস)-এ পৌঁছানোর পর একে কক্ষপথে স্থাপন করা হবে। তারপর তারা এটি থেকে সিগন্যাল পাওয়া শুরু করলেই পুরো কাজ সম্পন্ন হবে।

এই উৎক্ষেপণ-এর ঠিক আগ মুহূর্তে নাসার এক বিবৃতিতে বলা হয়, ফ্লোরিডায় আমাদের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলীয় স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৭মিনিটে ফ্যালকন ৯ রকেট উৎক্ষেপণ করা হবে।

গত ২ জুন বাংলাদেশ সময় মধ্যরাত ৩টা ৫৫ মিনিটে স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণের কথা থাকলেও খারাপ আবহাওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে একদিন পর সেটি সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা সম্ভব হয়েছে।

প্রসঙ্গত, আগেই ব্র্যাক বিশ্বিবিদ্যালয়ের মহাখালী ক্যাম্পাসের চার নম্বর ভবনে গ্রাউন্ড স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। সেখান থেকেই অন্বেষার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা হবে।

এ বিষয়ে গ্রাউন্ড স্টেশনটির নির্মাতা দলের দলনেতা মোহাম্মদ সৌরভ জানিয়েছেন, তারা অনেক আগে থেকেই প্রস্তুত রয়েছেন। স্পেস স্টেশনে স্যাটেলাইটটি পৌঁছার পর দুটি ধাপ পার হলে, সেখান থেকে জানানো হবে কখন থেকে এর সিগনাল পাওয়া শুরু হবে। তাই একটু অপেক্ষা করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা এখন মহাকাশে পৌঁছালাম। বাংলাদেশ এখন মহাকাশে নিজেদের নাম লেখালো।’

তিনি এজন্য দেশের সবাইকে, বিশেষ করে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ও এর সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িতদের ধন্যবাদ জানান।