মন্ত্রী হওয়ার ডাক পেয়েছেন চার জন

 
 

34231

সিলেটপ্রেস ডেস্ক :: সরকারের গতিশীলতা বাড়ানো, প্রশাসনিক কর্ম-তৎপরতা বাড়াতে এ বছর মন্ত্রিসভা রদবদলের দিকে ঝুঁকেছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে মন্ত্রী হিসেবে মঙ্গলবার শপথ নিতে বঙ্গভবনে ডাক পেয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এবং লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের এমপি একেএম শাহজাহান কামাল। এছড়া রাজবাড়ীর এমপি কাজী কেরামত আলী ও টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হিসেবে মোস্তাফা জব্বারও বঙ্গভবনে ডাক পেয়েছেন।’প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মুহাম্মদ ছায়েদুল হকের মৃত্যুর পর ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী পদটি শূন্য রয়েছে।

সোমবার নারায়ন চন্দ্র চন্দ বঙ্গভবনের ফোন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘মন্ত্রিপরিষদ সচিব আজ দুপুরে আমাকে ফোন করেছিলেন। আগামীকাল সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।’

জানতে চাইলে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘কয়েক দিন আগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডিজিটাল মেলায় দেখা হয়েছিল। তিনি আমাকে বলেছিলেন, আপনাকে বড় দায়িত্ব দেওয়া দরকার। এর বাইরে আর কিছু বলব না।’

লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের এমপি একেএম শাহজাহান কামাল বলেন, ‘মন্ত্রিপরিষদ সচিব এর ফোন আমি পেয়েছি। আগামীকাল সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে যাব।’

কাজী কেরামত আলী বলেন, ‘আমি মন্ত্রী হবো, তা দু’দিন আগে থেকে জানি। আজ কেবিনেট ডিভিশন থেকে ফোন পেয়েছি। এলাকায় ছিলাম। ফোন পেয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েছি।’

মন্ত্রিসভায় রদবদল প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘দলের সিনিয়র, ত্যাগী ও বেশ কয়েকজন তৃণমূলের পরিচ্ছন্ন নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। প্রতিমন্ত্রী ও পূর্ণমন্ত্রীসহ কমপক্ষে ৬ জন মন্ত্রিসভায় যুক্ত হবেন।’ ওই কর্মকর্তা আরও জানান, ‘বর্তমান মন্ত্রিসভায় রয়েছেন, এমন দু’জন প্রতিমন্ত্রীকে পূর্ণমন্ত্রী করা হবে। এছাড়া তথ্য, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ দেওয়া হবে।’

উল্লেখ্য, বর্তমানে সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য ৪৯ জন। এরমধ্যে প্রধানমন্ত্রীসহ ৩১ জন মন্ত্রী, ১৭ জন প্রতিমন্ত্রী ও ২ জন উপমন্ত্রী। এছাড়া মন্ত্রীর পদমর্যাদায় ৫জন উপদেষ্টা ও একজন বিশেষ দূত রয়েছেন। এর আগে ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি বর্তমান সরকার গঠন করা হয়। সর্বশেষ ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই একদফ মন্ত্রিসভায় রদবদল হয়। এরপর দুই/একজন মন্ত্রীর দফতর পরিবর্তন হয়েছে।