ফেসবুক খুলে দেওয়া হয়েছে

 
 

FB

টানা এক সপ্তাহ পর কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই খুলে দেয়া হলো ফেসবুক! বুধবার সন্ধ্যা থেকে সারাদেশে স্বাভাবিকভাবে ফেসবুক ব্যবহার করা যাচ্ছে। তবে কিছুটা ধীর গতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

প্রক্সি সার্ভার এবং ভিপিএন ছাড়াই অনেকে ডেস্কটপ, ল্যাপটপ এবং ফেসবুকে লগ ইন করতে পেরেছেন বলে জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, ফেসবুক খুলে দেয়ার বিষয়ে এখনো তারা কোনো নিদের্শনা পাননি।

অপরদিকে বিটিআরসির মুখপাত্র সরোয়ার আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছুটিতে আছেন, এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চান না।

টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম ও চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করা হলে তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

গত ১৮ নভেম্বর দুপুরে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ফেসবুকসহ ইন্টারনেটে সব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ করে দেয় সরকার। সরকার বলছে, দেশের একটা মানুষও যতোক্ষণ নিরাপদ বোধ করবেন না ততক্ষণ পর্যন্ত এগুলো বন্ধ থাকবে।

অবশ্য বিভিন্ন বিকল্প পদ্ধতিতে প্রায় সবাই-ই এসব ব্যবহার করছে। এমনকি সরকারের উর্ধ্বতনদেরও এ কৌশল অবলম্বনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এর জবাবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, যারা বিকল্প উপায়ে ফেসবুক ব্যবহার করছেন তারা নিরাপদ নন এবং সবাইকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে!

দিকে ফেসবুক বন্ধ থাকায় ই-কমার্স এবং ফেসবুক ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোর লোকসান হচ্ছে।

বুধবার দুপুরে সুপ্রিমকোর্ট থেকে ফেসবুক, টুইটার হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবারসহ বন্ধ থাকা সব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম খুলে দিতে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

বুধবার সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী কুমার দেবুল দে ফ্যাক্স যোগে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর এ নোটিশটি পাঠান।

নোটিশে বলা হয়, গত ১৮ নভেম্বর প্রশাসনিক আদেশ দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো বন্ধ করা হয়। কিন্তু সিদ্ধান্তটি তথ্য অধিকার আইন ও সংবিধানের ৩৯ ধারার পরিপন্থি। নোটিশে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগের এ মাধ্যমগুলো খুলে দিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী কুমার দেবুল দে।

সূত্র: বাংলামেইল।