‘ফুলমতি’ এবং ‘নিঝুম নগর’ গ্রন্থের প্রকাশনা

 
 

DSC_0539 copyঅধ্যক্ষ কবি কালাম আজাদ বলেছেন, জীবন ও জগতের কথা যে সাহিত্যে আছে সেটাই প্রকৃত সাহিত্য। সাহিত্য মানুষকে জীবনের কথা বলে, মানুষকে শিল্পের মহিমায় উজ্জ্বীবিত করে। কবি আরশ আলী’র ‘ফুলমতি’ কাব্যে প্রেম-ভালোবাসা, সমাজ বাস্তবতা এবং ’নিঝুম নগর’ গীতিকাব্যে আধ্যাত্মিক চিন্তা-চেতনার প্রকাশ ঘটেছে। সুতরাং, সাহিত্যচর্চায় সার্বিক উজ্জ্বল চিন্তার প্রকাশ ঘটাতে হবে।

কলমসৈনিক সাহিত্য পরিষদ, বিশ^নাথ, সিলেট-এর উদ্যোগে লেখক, গীতিকার, মাসিক সিঙ্গেরকাছ বার্তা সম্পাদক কবি এইচ এম আরশ আলী’র ৩য় কাব্যগ্রন্থ ‘ফুলমতি’ এবং ১ম গীতিকাব্য ‘নিঝুম নগর’-এর প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রবীণ সাংবাদিক, সিলেট কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সহসভাপতি মুহম্মদ বশিরুদ্দিনের সভাপতিত্বে গত শনিবার সন্ধ্যায় কেমুসাসের বইমেলা মঞ্চে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মোড়ক উন্মোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেমুসাসের সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী, সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক জালালাবাদী ও সাপ্তাহিক সিলেট সমাচার পত্রিকার সাবেক সম্পাদক আব্দুল ওয়াহিদ খান, কেমুসাসের সহ সভাপতি গল্পকার সেলিম আউয়াল, প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গবেষক-কবি মুসা আল হাফিজ, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ^নাথ উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. ফজলুল হক, বাসিয়া প্রকাশনীর স্বত্ত্বাধিকারী মোহাম্মদ নওয়াব আলী, মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন কবি অধ্যাপক বাছিত ইবনে হাবীব, অনুভূতি ব্যক্ত করেন গ্রন্থের লেখক কবি এইচ এম আরশ আলী।

কবি আহমদ সালেহ-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ আলোচনা রাখেন রাগীব-রাবেয়া ডিগ্রি কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কবি খালেদ-উদ্-দীন, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন গল্পকার শাহ ফারজানা আহমেদ, কলমসৈনিক সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জামিলুর রহমান জামিল।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কবি সরওয়ার ফারুকী, কবি শায়ির খানদানী, সমাজ সংগঠক আরব খান, কবি কাওছার আলী, কবি ডা. বিভাংশু গুণ বিভু, কবি মো. ছাবির উদ্দিন, কবি শেখ ফজর রহমান, কবি আশরাফ হোসেন, মাওলানা হাফিজ হামিদ, মাওলানা দিলাউর রহমান, কবি সোলেমান উদ্দিন, এমরান হোসেন, আব্দুল খালিক, আখদ্দুছ আলী, সুমন আহমদ প্রমুখ।

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে গবেষক কবি মুসা আল হাফিজ বলেন, কবির চিন্তা সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে প্রসারিত হয়ে সামাজিক মানসে পরিণত হয়েছে। তাঁর চিন্তা-চেতনা এবং সর্বোপরি গ্রন্থে সমাজ বাস্তবতা চরমভাবে ফুটে উঠেছে। সমাজের অন্যায়-অসঙ্গতি এবং প্রেম-ভালোবাসার অনবদ্য প্রকাশ অন্যরকম ভাবধারা সৃষ্টি করেছে।

অনুভূতি প্রকাশ করে কবি এইচ এম আরশ আলী বলেন, সাহিত্যের প্রতি গভীর প্রেম এবং ভালোবাসা আমাকে লিখতে অনুপ্রাণিত করেছে। সাহিত্য অধ্যয়ন করে আমার হৃদয় আন্দোলিত এবং আলোড়িত হয়। সমাজবাস্তবতার স্বরুপ সন্ধানে আমার লেখা যেন ক্ষুরধার হয় সেজন্য সবার কাছে দোয়া প্রত্যাশী। বিজ্ঞপ্তি