প্রোটিয়াদের বিপক্ষে বড় হার টাইগারদের

 
 

565

সিলেটপ্রেস ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকার রানের পাহাড়কে ছুতে পারলো না টাইগার বাহিনি। পাহাড়সম ৩৫৩ রানকে তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। উইকেট হারানোর মিছিলে শেষ পর্যন্ত আর প্রোটিয়াদের রানকে টপকাতে পারলো না মুশফিকরা। তাই প্রোটিয়াদের কাছে অসহায়ভাবে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হলো বাংলার টাইগাররা।

এবি ডি ভিলিয়ার্স তাণ্ডবের পর ইমরান তাহির ও আন্দিলে ফেহলুকাওয়ের ঝড়, যাতে উড়ে যাওয়া বাংলাদেশ করলো অসহায় আত্মসমর্পণ। ইমরুল কায়েস ও মুশফিকুর রহিম ছাড়া সফরকারীদের আর কোনও ব্যাটসম্যানই পারেননি কোনও প্রতিরোধ গড়তে। যাতে ১০৪ রানের হারে সিরিজটাও হারালো বাংলাদেশ।

এবি ডি ভিলিয়ার্স বাংলাদেশি বোলারদের শাসন করে ১০৪ বলে খেলেন ১৭৬ রানের ঝলমলে ইনিংস, যাতে দক্ষিণ আফ্রিকা স্কোরে জমা করে ৬ উইকেটে ৩৫৩ রান। বিশাল সেই লক্ষ্যের পিছে ছুটে বাংলাদেশ ৪৭.৫ ওভারে অলআউট হয়ে গেছে ২৪৯ রানে।

মুশফিকুর রহিম ও ইমরুল কায়েস জোড়া হাফসেঞ্চুরি করেছেন। তৃতীয়  উইকেটে এ দুজন দলের জন্য মূল্যবান ৯৩ রানের জুটি গড়ে তোলেন। ইমরুল কায়েস ইনিংসের ৩০তম ওভারে ইমরান তাহিরের বলে ডি ভিলিয়ার্সের ক্যাচে পরিণত হওয়ার আগে ৬৮ রানের একটি ঝলমলে ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসটি ছিল ৬টি চার ও একটি ছক্কায় সাজানো। মুশফিকুর রহিম ৬০ রান করে প্রেটোরিয়াসের বলে আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন।

প্রোটিয়াদের করা ৩৫৩ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৪৪ রানেই ভেঙে যায় উদ্বোধনী জুটি। দলীয় ৪৪ রানে উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল এলবিডব্লিউয়ের শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেন। দলীয় ২৭ রানের মাথায় লাইফ পাওয়া তামিম ২৫ বলে ২৩ রান করে প্রেটোরিয়াসের বলে এলবিডব্লিউয়ের শিকার হন।

তামিমের বিদায়ের পর লিটন দাসও তেমন সুবিধা করতে পারেননি। মাত্র ১১ রান করে তিনিও বিদায় নেন। তারপর একে একে উইকেট হারানোর মহড়ায় বাংলাদেশের ইনিংস থেমে যায় ২৪৯ রানে।

সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে টসে জিতে স্বাগতিকদের ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তোজা। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি, হাশিম আমলার দায়িত্বশীল ব্যাটিং ও এবি ডি ভিলিয়ার্স ঝড়ো  ইনিংসে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৫৩ রানের পাহাড়সম স্কোর করে স্বাগতিকরা।

আমলা ৯২ বল খেলে ৮৫ রান করে রুবেলের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। তার ইনিংসটি ৪টি চারের মারে সাজানো।

এরপর শুরু হয় ভিলিয়ার্সের তাণ্ডব। ৬৮ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। তিনি মাত্র ১০৪ বল খেলে ৭টি ছক্কা ও ১৫টি চারের সাহায্যে ১৭৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। যা তার ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস।

বাংলাদেশের হয়ে রুবেল হোসেন ৪টি উইকেট নেন। এছাড়া সাকিব আল হাসান নেন ২টি উইকেট।