আগুনে পুড়ে ‘জঙ্গি’ আব্দুল্লাহসহ ৭ জনের মৃত্যু

 
 

0000সিলেটপ্রেস ডেস্ক :: রাজধানীর মিরপুরের মাজার রোডের বাঁধন সড়কের বর্ধনবাড়ি এলাকার ভাঙ্গাওয়াল গলির জঙ্গি আস্তানায় বিস্ফোরণের আগুনে মারা গেছেন ‘জঙ্গি’ আব্দুল্লাহসহ সাতজন।

সাত পোড়া মরদেহের ধ্বংসাবশেষের ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে এ কথা জানান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ।

ময়নাতদন্তের সময় ডা. সোহেল মাহমুদের সঙ্গে ছিলেন ডা. কবির সোহেল ও ডা. প্রদীপ বিশ্বাস।

মিরপুরের মাজার রোডের বাঁধন সড়কের বর্ধনবাড়ি এলাকার ভাঙ্গাওয়াল গলির ছয়তলাবিশিষ্ট কমলপ্রভা নামে বাড়ির পঞ্চমতলায় প্রায় ১৫ বছর ধরে বসবাস করে আসছিলেন ‘জঙ্গি’ আব্দুল্লাহ।

ওই বাসায় দুই স্ত্রী নাসরিন ও ফাতেমা, দু্ই শিশুসন্তান ওসামা ও ওমর’সহ ‘জঙ্গি’ আব্দুল্লাহ বসবাস করে আসছিলেন। তিনি আইপিএস, ইউপিএস ও কবুতরের ব্যবসা করতেন। এজন্য তার দুজন কর্মচারীও ছিল।

গত সোমবার রাতে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ২/৩/বি কমলপ্রভা বাড়িটি ঘেরাও করে র‌্যাব। দিনভর আত্মসমর্পণের নাটকীয়তা শেষে মঙ্গলবার রাতে আস্তানার ভেতরে বিস্ফোরণ ঘটান আব্দুল্লাহ। বুধবার বিকেলে সেখান থেকে সাতটি পোড়া মরদেহ উদ্ধার করে র‌্যাব। বিকেলে মরদেহ সাতটি ঢামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্ত শুরু হয়। ময়নাতদন্ত শেষে বেলা পৌনে ২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, বোমা বিস্ফোরণের আগুনে পুড়ে সবার মৃত্যু হয়েছে। কারও দেহ বলতে কিছু নেই। আছে দেহের ধ্বংসাবশেষ ও কিছু হাড়। ধ্বংসাবশেষ থেকে বোমার স্প্লিন্টার, লোহা ও টিনের টুকরা ও টর্চলাইটের কিছু অংশ পাওয়া গেছে।

গতকাল বুধবার বিকালে সাতটি পোড়া মরদেহ উদ্ধারের পর র‌্যাব ডিজি বেনজীর আহমেদ বলেন, পঞ্চমতলা থেকে ইতোমধ্যে আমরা সাতটি মাথার খুলি পেয়েছি। মানুষের শরীর বলতে যা বোঝায় এর কিছুই নেই। পুড়ে ছাইয়ে পরিণত হয়েছে। দু-একটি হাড় দেখা গেছে।