আওয়ামীলীগ নামধারী কে এই গোলজার ? পর্ব (০১)

 
 

guljar-01111সিলেটপ্রেস :: দক্ষিণ সুরমার কুচাই। সিলেটের যেখানে সবসময় দেখা গেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর চাঙ্গা অবস্থান। কিন্তু যেই মূহুর্তে অন্যান্য দলগুলো তাদের কর্মতৎপরতায় ব্যস্ত সময় পার করছে। ঠিক সেই মুহুর্তে কুচাই ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ থমকে গেছে। এখানকার সকল কর্মকান্ডই এখন লোকদেখানো মনোভাব সম্পন্ন। গুটি কয়েক নেতাকর্মীর কাট ক্যামেরা অ্যাকশন দৃশ্যেই পর্দার উঠা-নামায় চিন্তিত এলাকার তৃণমূল আওয়ামীলীগসহ অঙ্গসংগঠন। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম একটি বৃহৎ রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। যে সংগঠনের গুরুদায়িত্ব পালন করছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যার নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে পদাপর্ন করছে।

দেশ ব্যাপী আওয়ামীলীগের সক্রিয় অবস্থান থাকলেও দেখা যায় সিলেটের দক্ষিণ সুরমার ৪নং কুচাই ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ একেবারেই ভিন্ন। যেখানে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগসহ দণি সুরমা উপজেলা আওয়ামীলীগকে বিলিন করার ষড়যন্ত্রে কোন এক অদৃশ্য শক্তির ইঙ্গিতে এমন কাজগুলো করছেন মূল নায়কের পেছনের নামধারী মহানায়ক গুলজার। যিনি কুচাই ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের সুলতানপুর গ্রামের আইয়ুব আলী ওরফে দারামিয়ার ছেলে।

কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে আওয়ামীলীগ নামধারী কে এই হাজী গুলজার আহমদ। যিনি ইউনিয়ন থেকে শুরু করে উপজেলা পর্যায়ে আওয়ামীলীগের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে আসছেন এবং বড় নেতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন নিজেকে।

অথচ কুচাই ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক পর্যন্ত গুলজারের কোন সংশ্লিষ্টতার কথা তুলে ধরতে পারেননি।

মূলত গুলজার নিজেকে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতা পরিচয় দিলেও কোন পদপদবী তো দূরের কথা এমনকি সদস্য পদও নেই তার। তবে কতো বড় নেতার বলে সংগঠনের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যাওয়া যায় প্রশ্ন উঠেছে সবার মনে।
সম্পদের অপব্যবহার ও টাকার বিনিময়ে মতার শক্তি প্রদর্শনে ব্যস্ত সময় পার করছেন গুলজার আহমদ। তবে কার জন্য রং মেখে ঢং সাজা হচ্ছে বুজে উঠতে পারছেননা কেউই।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক আওয়ামীলীগ নেতা জানান, অপশক্তি ব্যবহার করে ইউনিয়নে দাপট দেখিয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও কোন্দলের সৃষ্টি করতে উঠে পড়ে লেগেছে সে। একথায় গুলজার এক আতংকের নাম বলে জানান তিনি।

অন্য একটি সূত্রে জানা যায়, গোলজারের কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছেন নেতাকর্মীসহ গোঠা এলাকাবাসী। সে তার ব্যক্তি স্বার্থ হাসিল করতে একের পর এক কোন্দল ছড়িয়ে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করছে। যেসকল কোন্দল ও উত্তেজনার ফলে কুচাই ইউনিয়নে বিভিন্ন গ্রুপ-উপগ্রুপের সৃষ্টি হচ্ছে। এই সকল গ্রুপ সৃষ্টির পেছনে কাজ করছে গোলজার। কারণ একটাই সেটা হলো গ্রুপ যত বেশি হবে কোন্দল ও দাঙ্গা-হাঙ্গামা ততো বেশি হবে। আর এধরণের কর্মকান্ডে আওয়ামীলীগ তার প্রতিষ্ঠিত সুনাম থেকে পিছিয়ে পড়লেই গোলজারের যেন স্বপ্ন পূরণ হবে। তখন অদৃশ্য শক্তির প নিয়ে আওয়ামী বিরোধী সংগঠনের কার্য বাস্তবায়ন সহজ হবে তার।

চলবে…., এরপর “পর্ব (২)”